Tuesday, October 31, 2017

গল্পে তুমি

গল্পে তুমি চাইছো যখন সবকিছুতে বিয়োগ,
হার না মেনে বারবারই আমি খুঁজি যাই সুযোগ।
চোখের ভাষা আড়াল করে যাই যে প্রতিদিন,
আমার প্রতিমুহূর্তের পরীক্ষাগুলো খুব যে কঠিন।
মোহের বয়সতো নেই যে আর ডুবে থাকব প্রেমে,
হৃদয় গ্রহে জায়গাটুকু তোমার যাবে না যে কমে।
স্বপ্নিল এক রাজ্যে গড়েছি আমার রাজমহল,
চাইলেই কেউ পারবে না, হতে দেবো না দখল।

Friday, October 27, 2017

ঘেন্না জাগে

ক্ষণে ক্ষণে মনে দামামা বাজে
বৃদ্ধ-জ়োয়ান যুদ্ধে জাগে,
শশান ঘাটের লাশ পুড়িয়ে
আমার তান্ডব থামে।

তোর মৃত্যুর পর ছিঁড়ে দেই
দুটি চোখের কোঠর,
তুই অপরাধী খুব তাই বলে মোর
ভাঙ্গে না রাগের জঠর।

তোর শেষ নিঃশ্বাসের পরেও কাঁটি
সারা সর্বাঙ্গ,
তবে যথাসুখের আশ্রয় ছিল
আমি পাশান অনুসর্গ।

ধ্বংসযজ্ঞ শেষে করে যখন
ছেঁড়া হাত পা কুড়াই,
মনে মনে খুব ঘিন্না জাগে
তোকে এভাবেই পাড়াই।

Tuesday, October 17, 2017

পাগল

শুকনো রুটির শক্ত লোকমায়
একটু খানি গুড়,
পথের ধারে স্বচ্ছ জলে
পিয়াস করলো দূর।
জরাজীর্ণ জামার ভাঁজে
হাজার তালি ছাঁপ,
পুরানো হাতের লাঠি
তার হাজার পরিতাপ।
একমনেতে হাসে আবার; এক মনেতে কাঁদে
ঘুমের জন্য পায়না জায়গা; ঘোরে রাত বিরাতে।
বাস্তুহারা সেই বুড়োকে ডাকত
কেউ বা পাগল,
কারো দেয়া খাবার পানিতে
সামলাতো না বার্ধক্যের ধকল।

Sunday, October 8, 2017

অনেক ভালোবাসি তোমায়

মরণটুকুও কেন পায়ে পড়ে কাঁদে
তবুও জীবন তুচ্ছ যেন প্রেম স্বাদে
ভালোবাসি তোমায়, খুব ভালোবাসি
তাই হয়ত তোমার দুয়ারে বার বার ফিরে আসি
কঠিন দিনে তুমি কেঁদেছো
আজ আমি কাঁদছি তোমার জন্য
ভালোবেসেই হোক জীবন ধন্য
তুচ্ছ আমি নিরুপায় হয়ে
মরে যাই বার বার তোমার লয়ে
খুব যে ভালোবাসি তোমায়,
যেখানে নিঃশ্বাসের শান্তিতে খুঁজি শুধুই তোমায়।
আমি অন্ধ আসিফ আজ,
তরল হয় আমার আগুন মেজাজ।
তোমার হাসিতে নিজেকে ডুবাই
তোমার হাসিতে সঁপে দেই
আমি তোমার কান্নায় জয় করি তোমারেই।
আমার অন্তর শুধু বন্দি তোমার সনে
কেউ না জানুক পাগল তোমার জন্যে।।।

Tuesday, September 26, 2017

রাত জাগা

উড়ছে তোমার চুল শুধু
ছুঁচ্ছে আমার গা
তোমার সকাল হাতে রেখে
আমার রাত জাগা

আমি নির্ঘুম তুমি ঘুমে
অবাক কিছু স্বপ্ন জমে
ভয় হয় শুধু যেন না থামে।

বেঁচে থাকি শুধু তোমার গানে
আর কিছু যেন না আসে কানে
জীবন শুধু থাকুক টিকে শেষ দানে

Saturday, September 16, 2017

শক্ত

খুঁটি শক্ত না করে যুদ্ধে নামার কোন মানেই হয় না। আর অসম প্রতিযোগিতাকে টেক্কা দেবার মত যোদ্ধা হইনি। তবে বসে থেকে ভাগ্যবরণ করতে ইচ্ছুই নই। যে কাউকেই মোকাবিলা করার ক্ষমতা রাখি।

Friday, September 15, 2017

তুমি আমার

তুমি আমার ঘুম
স্বর্গীয় প্রেমের চুম
তুমি আমার রাতের বৃষ্টি,
তুমিই আমার উম।

তুমি আমার জোনাক পরী
সকাল বিকাল সন্ধ্যা আলোড়ী
তুমি আমার একটু সুখ,
তুমিই আমার আদুরী।

তুমি আমার মিষ্টি সুখ
একরাশি হাসিতে ভরে বুক
তুমি আমার জগত স্বর্গ,
দেখি যখন তোমার মুখ।

তুমি আমার স্বস্তির নিঃশ্বাস
দূরে তুমি তবুও শক্ত বিশ্বাস
তুমি আমার ছোট্ট পাখি,
তুমি আমার গোলাপ একরাশ।

তুমি আমার শান্ত ছায়া
তোমার জন্যই জাগে মায়া
তুমি যে কেন যাও হারিয়ে,
তুমিই আমার চোখের হায়া।

তুমি আমার একটাই নদী
বাঁঁচবো যদ্দিন বইবে অবধি
তুমি আমার শঙ্খচুড়া,
তুমি আমার সবটুকু আমোদী।

তুমি আমার স্বর্গ সমান
হারাই যত মান সম্মান
তবুও তুমি আমার একটাই তুমি,
দিলাম তোমার এক জবান।

তুমি আমার একটাই আকাশ
রঙ্গিন চোখে সেই বুনো কাশ
শেষ দিনেও আমি একাই থেকে,
বুড়ো বয়সে করবো বাস।

৩.০২ দুপুর। সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৭

Sunday, September 3, 2017

খেয়ালে


ছন্দের খেয়ালে পাইনি কবিতা
কথার খেয়ালে পাইনি গান,
তোমার খেয়ালে পাইনি "তুমি"
উচ্ছ্বাসের বদলে পাইনি প্রাণ।।
গল্পে কত না পাওয়ার সুর।
অবেলায় ডাকে শেষ নিঃশ্বাস; নদী কত দূর।

মনের খেয়ালে দেইনি মনোযোগ
স্বপ্নের খেয়ালে দেইনি অনুযোগ,
নিঃস্তব্ধতার খেয়ালে দেইনি পরিভোগ
ভুলের খেয়াল দেইনি অভিযোগ।।
কাব্যে কত বিরহের উপমা।
তুমি ছিলে স্বাভাবিক; আমার কষ্ট জমা।

আঁধারের খেয়ালে পাইনি সকাল
চাঁদের খেয়ালে পাইনি জ্যোৎস্নাবিহার,
র্নিঘুমের খেয়ালে পাইনি স্বস্তি
তাঁরা খেয়ালে পাইনি রুপোর হার।।
ছন্দে দুজনার ছিল অমিল।
শেষচেষ্টা হেলায় হারিয়ে; আজ তুমি আছো খুব অনাবিল।

অনুরাগের খেয়ালে পাইনি হাসি
অভিমানের খেয়ালে পাইনি সান্ত্বনা,
অনুতাপের খেয়ালে পাইনি ক্ষমা
অনুগতের খেয়ালে পাইনি মন্ত্রণা।।
উপন্যাসের শেষ অধ্যায়ে মৃত নায়ক।
প্রমাণ দিলো সে; ভালোবাসার পরিচায়ক।
(একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে)
৩/৯/১৭

Sunday, August 27, 2017

আত্মার অতঃপর

অহর্নিশির ছায়াতলে, হেঁটে বেড়াই আজ
অহরহ আতঁকে উঠি, নিজের অবয়বে।
অহিত হয়ে যাই, সুবিচার থেকে দূরে
অহংবাদী আমি, প্রেত্মাতা সেই কবে।
অহিংসা দেই চাপা, হয়ে উঠি পিশাচীমূর্তি
অহংকারী চিন্তা, জেগে উঠে ফের
অহংবোধ ভাঙ্গি না আর, মৃত্যুর পরও
অহি দংশে দিন রাত, কমাতে পাপের জের
অহর্নিশির ছায়াতলে হেঁটে বেড়াই আজও!
২৭/০৮/১৭

Wednesday, August 16, 2017

অচেতনে কি বোঝাই?

অচেতনে কি বোঝাই?
শুধু
বুঝিনা এই কথাই
কথাটুকু সময়ে বেঁধে রেখে
রেখে যাওয়া স্বপ্ন আজ পুড়িয়ে!
পোড়া আকাশটুকু আজ জড়িয়ে
জড়ানো সব স্মৃতিগুলো হারিয়ে
হারানোর প্রশ্ন আর কত?
কত করে বলে বুঝাই নিজের মত!!!

আকাশ পিপাসায়, মাটি খুব খড়া!
বুনো যাওয়া স্বপ্ন সব অধরা!

Wednesday, July 5, 2017

যান্ত্রিক যোগে

নিয়নের আলোতে যান্ত্রিক সুখ
পুড়িয়ে হৃদয়ের আবেগে,
শতক্রোশে বুনি স্বপ্নজাল
ক্ষয়ে যায় বাঁচার আগে।

চোখ বুজে কতশত
স্বপ্ন দেখার ঘোর,
এই বুঝি মোর স্বপ্ন ভাঙ্গলো
যান্ত্রিক কোন চোর।

স্বপ্ন দেখি ধুলোহীন পথে
আমার গড়া তাজ,
যান্ত্রিক মনে গড়ি আর ভাঙ্গি
এই প্রজন্মের কাজ।

স্বপ্ন দেখি কারো হাত ধরে
মেঠো পথ হাঁটি দুজন,
যান্ত্রিক যোগে একত্র হই
অপরিচিত তবু-ও কি সুজন?

Wednesday, June 28, 2017

নিরুত্তেজ প্রাণ

কপাট তোর বন্ধ যে হায়!
হারিয়ে যেতে শুধু যে মন চায়।
দূর দেশে এক ভিনগ্রহে,
শুন্য সেথায় প্রেম-মোহে।
একলা তুই আর আমি দোসর,
ফুল পাখি আর গানের আসর।
তোর ছন্দে থাকবে মুক্তির গান,
মৃদ্যুমন্দে গড়বে নিরুত্তেজ প্রাণ।
(২৮/০৬/১৭)

Sunday, June 18, 2017

দুঃ

দুঃশাসনের কপাট ভেঙ্গে, শক্ত হাতে যুদ্ধ,
দুর্দিনের শেকল ছিঁড়ে, আবার কারারুদ্ধ।
দুর্বিষহে জ্বলছে শরীর, পুড়ছে গায়ের পশম,
দুঃসহের চাবুকনামায়, কাটছে দিন আজ দশম।
দুর্বল হয়ে শরীর জুড়ে, বিষের কাঁটার দাগ,
দুমড়ানোহীন কয়েদি আমি, কমছে না যে রাগ।
দুর্বার আমার নিঃশ্বাস, রক্তিম শোকে ক্রুদ্ধ,
দুর্দমনীয় আমার জেদ, তাই বলে অবরুদ্ধ।
দুর্নিবার শেষের দিনে, আমার শরীরে ব্যধি,
দুপক্ষের যুক্তি শুনেও, আদালতে আমি অপরাধী।

Monday, May 29, 2017

তুমি ফুরায়ে গিয়েছো কবে

তুমি ফুরায়ে গিয়েছো কবে
আমিতো চলে যাব; বলে, থেকে রয়েছি এতক্ষণ
হারিয়ে যাবার গল্পে
কে আগে? কে পরে?
শুন্য আকাশ তলে আমি একজন, একা।
তোমারি আশাতে ছিলেম কত,
ভুল বুঝে শোনোনি,
আমি মিছে মিছে হারিয়ে পথ
নতুনে মিলেছি কবে।
তবু তোমাতে রয়ে গিয়েছি।
নতুনে ভুলি নাই।

Thursday, May 18, 2017

পাপ


নির্বোধ পাপীয়সী আমি, নিশ্চিত বিপথগামী
নিমগ্ন আছি কোন ভুলে, নিশ্চলে আমি।
নির্দিষ্ট সুখে চোখ বুজি, নিয়নের আলোতে
নিকটে বিষম বিপদ, নিয়তির আমোদে।
নিকষ কালো সামনে, নিশ্চিহ্ন মোর পরলোক
নিখাদ পূর্ণ্যে শেষ বয়সে, নিজ কল্যাণে করি যোগ।
নির্মল রাখতে কত চেষ্টা, নিপাত যেতে চাই না
নিষ্কলুষ থাকি বুড়োটে যখন, নিরাশ হয়ে যাই না।
নিরাপদ কি তরুণ বয়সে! নির্দোষ ছিলাম কি সত্যি?
নিয়মের বাহিরে থেকেছি কত, নিবদ্ধ ছিল না দস্যি।
নিখুঁত করে হয় না শুরু, নিষ্পাপ কতজনে?
নিদগ্ধ হয়ে বেঁচে মরা যেন, নির্বিষ প্রতিক্ষণে।
নিস্পন্দ বিবেকহীন আমি, নির্বাক কেন সময়ে?
নির্বিঘ্ন থাকি শত কোন্দলে, নিয়োগ হই প্রণয়ে।
নিশ্চুপ থাকি চারপাশ দেখে, নিমিত্ত ফলাফলে
নিখিল ভুবনে কত অশান্তি, নিহতরা আড়ালে।
নিয়মিত ধর্ম থেকে দূরে, নিকাশ করে অনেক পরে
নিরুপায় মন সান্ত্বনা খোঁজে, নিবেদিত মন সেজদা করে।
১৮/৫/১৭
(অসমাপ্ত)

Monday, May 15, 2017

স্মৃতিভ্রম

বীরদর্পে এগিয়ে চলা অশ্বারোহী জোহরা হারিয়ে গেছে,
ভালোবাসায় অতৃপ্ত বিলাসীও নেই,
অপুর হৈমন্তীর ইংরেজি কবিতার বইটা ঠিকই আছে; হৈমটা মরে গেছে।
টুনির সেই চঞ্চলতাও মরে গেছে, বেঁচে নেই।
ইব্রাহিম কাদ্রি, মৃত্যুঞ্জয়, অপু আর মন্তুদের কেউই পারেনি তাদের বাঁচাতে আর নিজেরাও বাঁচতে।
ট্রাজেডি থেকে আমিও পারি না নিজেকে উদ্ধার করতে। এখনও সেই চরিত্রগুলো ওলোটপালট করে দেয় সব।

Thursday, May 11, 2017

খেয়ালহীন

জগতহীন পথে চলাচল,
একা সে রাস্তায় নেই কেউ।
হারিয়ে গেছে সেই নাম
যে চেনা ছিলো সে-ও।
যাযাবরের জীবন শুরু তখনই,
বিদ্রুপের পাত্র সর্বদা যখনই।

ঘড়ির কাঁটার সহজ চলা
দেখতে লাগে ভালো,
সিক্ত চোখ সানগ্লাসে তার
ঢাকা চোখের কালো।
অন্তরণের বিপদ শিকল জড়ানো যে পা-য়,
অবাক করা যন্ত্রণারা মরতে না যে চায়!

ছুপিয়ে থাকা নিকষ কালো,
ছড়ানো না শান্তি।
তোমার তোলা গল্প ছিলো,
নিছক এক ভ্রান্তি।
আজও সবার আমি টুকু পায় না স্বস্তি,
কঠিন হিসাব করে আর হয় না দোস্তি।

ডুবে যাওয়া তরীটা আর,
জাগে না শতেক চেষ্টায়।
সমাধানের কঠিন পথে,
সত্যরা থাকে তেষ্টায়।
আজও ভাঙ্গে না রাতের দীর্ঘ,
তবু আশায় থাকি আসবে স্বর্গ।

ঘুমিয়ে থাকা জড়তাটুকু,
ভাঙ্গুক অনেক আগে।
বিমুখ থাকা চিন্তা সকল,
হৃদয় না কাটুক দাগে।
এখন আশায় বুক বেঁধে যাই,
যেখানে দুঃখরা কেউ নাই।
১১/৫/১৭ রাত ১২.২১

Sunday, May 7, 2017

বন্ধু তুই কই?

বন্ধু তোরে খুঁজি আজো
হারিয়ে গেলি কই?
আজ যে আমি খুব একা
সঙ্গীহীন রই।
তোর সাথে সেই বিকেল বেলা
খেলার মাঠে দেখা,
মাঝে মাঝে এক মনেতে
তোরই ছবি আঁকা।
আমি যখন বৃষ্টির দিনে
একলা আকাশ দেখি,
দরজায় তুই নাড়িস কড়া
আমি বলি সেকি।
নিজের তোয়ালে দিয়ে তোর
যত্নে মুছি মাথা,
তুই যে বলিস রাখ তো ছাই
শোননা আগে কথা।
কেরাম খেলায় হারতে যাবো
জিতিয়ে দিস আমায়,
রেড কভারে আমার খুশি
আছে কে যে থামায়।
আমার ভীষণ একলা দিনে
তোকেই খুঁজি রোজ,
কেন তুই হারিয়ে গেলি
নেসনা আর খোঁজ।
ইশকুলের সেই ফটক ছেড়ে
এলাম কলেজেতে,
নতুন বন্ধু খোঁজার তালেই
বছর গেলো কেটে।
শেষ বছরে অকারণেই
হলো ভীষণ ঝগড়া,
বন্ধুহারা কলেজ থেকেই
হলো বন্ধুর খরা।
কলেজ শেষে ভর্তিযুদ্ধে,
হলো নাতো ঠাঁই,
বিদ্যাপীঠের দ্বার বন্ধ হলো
পেলাম না রেহাই।
টাকার বলি পরলো যে হায়,
সহজ পিতার ঘাড়ে।
তবুও সে বন্ধু হয়ে
ফেরায়নি আমারে।
নতুন জীবনে নতুন করে
আবার বন্ধু খোঁজা,
ইসকুলেরই সেই সরল বন্ধু
পাওয়া কি এতই সোজা?
তার ছিলো না কোন চাওয়া
না ছিলো অভিযোগ,
আমার সকল কথার পিঠে
করতো না অনুযোগ।
পরীক্ষণের দিনগুলোতে
আমি যেন সবার ভাই,
বুকে জড়িয়ে কতো আবেগ!
তিন ঘন্টা পর কেউ নাই।
দরকারে যখন অস্থির আমি
কেউ এলোনা এগিয়ে,
তুই থাকলে ঠিকই আসতি
তোর অশ্রু পড়তো বেয়ে।
নুঁয়ে থাকা নিমের তলায়
তুই আছিস শুয়ে,
প্রতিবছরই আসি আমি
দেখতে তোকে অনুনয়ে।
মরে যাওয়া তুই আমার মাঝেতে
বাঁঁচবি সারা জীবন,
বন্ধুত্বের ঋণ চাই না শোধতে
শ্রদ্ধাবোধের স্মরণ।
৭/৫/১৭

Wednesday, May 3, 2017

ইতিবৃত্তি

কবি মরে কাঁটার বিষে, দেয় না আত্মাহুতি,
ধীরে ধীরে তার সব মরে যায়, নিঃশেষ হয় দ্রুতি।
ভাবনার স্রোতে একেক সময়, জোয়ার ভাটার টান,
চোখের সামনেই কত শেষ হলো, আহত খানখান।
থাকে না ভালো সময়গুলো, সহস্র অসমান,
যায় না শোধানো ভুল গুলো, নিশ্চলে সয় অপমান।
বিবাদী পারে না প্রমাণ মিলাতে, পারে না যুক্তি বুদ্ধি,
যা-ই বলে তাই মাথা পেতে নেয়া, একটু ভুলের শুদ্ধি।
আহত হৃদয় মুখোশ পড়ে, ভালো আছে সে খুব,
নিঁচু মাথা তাঁর অশ্রু মুছে, দেয় অন্যত্র ডুব।
নিরব হয়ে চলে যাবো যেদিন, থামবে কলমের কালি,
কন্ঠে আর বাজবে না গান, থাকবে যে ঘর খালি।
তাদের দাবীতে জীবন বাঁচাই, জীবন বাঁচাতে খুঁজি পথ,
আটকে আছি সত্য খুঁজতে, তাই বার বার থামে রথ।
আমার কি দোষ? মন তো মানে না, মানে না ক্লান্তিভক্তি,
কবে মিলবে এলোমেলো গল্প, পাবো সমাধান আর মুক্তি?
চিরজীবী হোক তাদের চলা, যারা পাছে টেনে ধরে আগে,
ক্ষমার্হ গুণে ধুয়ে দিয়ো ভাই, যদি হৃদয়ে কাটি দাগে।
ভয়ানক হবে সেই দিনগুলো, মরেও বেঁচে থাকবো,
না পারবো লিখতে কিছু, এক মনে হয়ত আঁকবো।
খোদা না চাহেন এমন দিন, না আসুক তকদীরে,
শীতল হাসিতে চক্ষু বুজবো, শত মানুষের ভীড়ে।

Saturday, April 29, 2017

অশেষবিধি


রক্তে আমার যুদ্ধের বিষ
উষ্ণ আমার নিঃশ্বাস।
উর্বর আমার দুই চক্ষু,
চাবুক ছটায় জর্জরিত বক্ষ
উত্তপ্ত আমার শাণিত দৃষ্টি,
শক্ত প্রতিরোধে রক্তের বৃষ্টি।
তবে আমি থামি; ধৈর্য্যের প্রতিফলে
আমি কাটাই আমার ক্ষিপ্রতা যত; কলাম লেখার বলে।
আমি দুর্বিনীত অশেষবিধি, বিপত্তিরই সুরে,
আমি সবার চোখের বিষাক্ত জাল; হটায় বহুদুরে।
আমি কতেক সময় অনেক বুঝি, কতেক সময় বলি
বলার জন্য শতেক বারই, একঘরতে চলি
তোষামোদের মধুর বাণী, আমায় দিয়ে হয় না।
বাজনা বাজাই আপনি ভালো, তেনার মত হয় না!!!
দিন শেষে মঠের ঘরে আমি ফিরে যাই,
রক্তের আগুন ধীর সুচিয়ে কলমে লাগাই।
২৯/৪২০১৭
(নজরুল স্মরণে আমার দ্বিতীয় কবিতা।ভালোবাসা আর শ্রদ্বা রইলো মহামানবের প্রতি)

নতুনে ভুলি নাই

তুমি ফুরায়ে গিয়েছো কবে আমিতো চলে যাব; বলে, থেকে রয়েছি এতক্ষণ হারিয়ে যাবার গল্পে কে আগে? কে পরে? শুন্য আকাশ তলে আমি একজন, একা। তোমারি আশাতে ছ...