Sunday, August 27, 2017

আত্মার অতঃপর

অহর্নিশির ছায়াতলে, হেঁটে বেড়াই আজ
অহরহ আতঁকে উঠি, নিজের অবয়বে।
অহিত হয়ে যাই, সুবিচার থেকে দূরে
অহংবাদী আমি, প্রেত্মাতা সেই কবে।
অহিংসা দেই চাপা, হয়ে উঠি পিশাচীমূর্তি
অহংকারী চিন্তা, জেগে উঠে ফের
অহংবোধ ভাঙ্গি না আর, মৃত্যুর পরও
অহি দংশে দিন রাত, কমাতে পাপের জের
অহর্নিশির ছায়াতলে হেঁটে বেড়াই আজও!
২৭/০৮/১৭

Wednesday, August 16, 2017

অচেতনে কি বোঝাই?

অচেতনে কি বোঝাই?
শুধু
বুঝিনা এই কথাই
কথাটুকু সময়ে বেঁধে রেখে
রেখে যাওয়া স্বপ্ন আজ পুড়িয়ে!
পোড়া আকাশটুকু আজ জড়িয়ে
জড়ানো সব স্মৃতিগুলো হারিয়ে
হারানোর প্রশ্ন আর কত?
কত করে বলে বুঝাই নিজের মত!!!

আকাশ পিপাসায়, মাটি খুব খড়া!
বুনো যাওয়া স্বপ্ন সব অধরা!

Wednesday, July 5, 2017

যান্ত্রিক যোগে

নিয়নের আলোতে যান্ত্রিক সুখ
পুড়িয়ে হৃদয়ের আবেগে,
শতক্রোশে বুনি স্বপ্নজাল
ক্ষয়ে যায় বাঁচার আগে।

চোখ বুজে কতশত
স্বপ্ন দেখার ঘোর,
এই বুঝি মোর স্বপ্ন ভাঙ্গলো
যান্ত্রিক কোন চোর।

স্বপ্ন দেখি ধুলোহীন পথে
আমার গড়া তাজ,
যান্ত্রিক মনে গড়ি আর ভাঙ্গি
এই প্রজন্মের কাজ।

স্বপ্ন দেখি কারো হাত ধরে
মেঠো পথ হাঁটি দুজন,
যান্ত্রিক যোগে একত্র হই
অপরিচিত তবু-ও কি সুজন?

Wednesday, June 28, 2017

নিরুত্তেজ প্রাণ

কপাট তোর বন্ধ যে হায়!
হারিয়ে যেতে শুধু যে মন চায়।
দূর দেশে এক ভিনগ্রহে,
শুন্য সেথায় প্রেম-মোহে।
একলা তুই আর আমি দোসর,
ফুল পাখি আর গানের আসর।
তোর ছন্দে থাকবে মুক্তির গান,
মৃদ্যুমন্দে গড়বে নিরুত্তেজ প্রাণ।
(২৮/০৬/১৭)

Sunday, June 18, 2017

দুঃ

দুঃশাসনের কপাট ভেঙ্গে, শক্ত হাতে যুদ্ধ,
দুর্দিনের শেকল ছিঁড়ে, আবার কারারুদ্ধ।
দুর্বিষহে জ্বলছে শরীর, পুড়ছে গায়ের পশম,
দুঃসহের চাবুকনামায়, কাটছে দিন আজ দশম।
দুর্বল হয়ে শরীর জুড়ে, বিষের কাঁটার দাগ,
দুমড়ানোহীন কয়েদি আমি, কমছে না যে রাগ।
দুর্বার আমার নিঃশ্বাস, রক্তিম শোকে ক্রুদ্ধ,
দুর্দমনীয় আমার জেদ, তাই বলে অবরুদ্ধ।
দুর্নিবার শেষের দিনে, আমার শরীরে ব্যধি,
দুপক্ষের যুক্তি শুনেও, আদালতে আমি অপরাধী।

Monday, May 29, 2017

তুমি ফুরায়ে গিয়েছো কবে

তুমি ফুরায়ে গিয়েছো কবে
আমিতো চলে যাব; বলে, থেকে রয়েছি এতক্ষণ
হারিয়ে যাবার গল্পে
কে আগে? কে পরে?
শুন্য আকাশ তলে আমি একজন, একা।
তোমারি আশাতে ছিলেম কত,
ভুল বুঝে শোনোনি,
আমি মিছে মিছে হারিয়ে পথ
নতুনে মিলেছি কবে।
তবু তোমাতে রয়ে গিয়েছি।
নতুনে ভুলি নাই।

Thursday, May 18, 2017

পাপ


নির্বোধ পাপীয়সী আমি, নিশ্চিত বিপথগামী
নিমগ্ন আছি কোন ভুলে, নিশ্চলে আমি।
নির্দিষ্ট সুখে চোখ বুজি, নিয়নের আলোতে
নিকটে বিষম বিপদ, নিয়তির আমোদে।
নিকষ কালো সামনে, নিশ্চিহ্ন মোর পরলোক
নিখাদ পূর্ণ্যে শেষ বয়সে, নিজ কল্যাণে করি যোগ।
নির্মল রাখতে কত চেষ্টা, নিপাত যেতে চাই না
নিষ্কলুষ থাকি বুড়োটে যখন, নিরাশ হয়ে যাই না।
নিরাপদ কি তরুণ বয়সে! নির্দোষ ছিলাম কি সত্যি?
নিয়মের বাহিরে থেকেছি কত, নিবদ্ধ ছিল না দস্যি।
নিখুঁত করে হয় না শুরু, নিষ্পাপ কতজনে?
নিদগ্ধ হয়ে বেঁচে মরা যেন, নির্বিষ প্রতিক্ষণে।
নিস্পন্দ বিবেকহীন আমি, নির্বাক কেন সময়ে?
নির্বিঘ্ন থাকি শত কোন্দলে, নিয়োগ হই প্রণয়ে।
নিশ্চুপ থাকি চারপাশ দেখে, নিমিত্ত ফলাফলে
নিখিল ভুবনে কত অশান্তি, নিহতরা আড়ালে।
নিয়মিত ধর্ম থেকে দূরে, নিকাশ করে অনেক পরে
নিরুপায় মন সান্ত্বনা খোঁজে, নিবেদিত মন সেজদা করে।
১৮/৫/১৭
(অসমাপ্ত)

Monday, May 15, 2017

স্মৃতিভ্রম

বীরদর্পে এগিয়ে চলা অশ্বারোহী জোহরা হারিয়ে গেছে,
ভালোবাসায় অতৃপ্ত বিলাসীও নেই,
অপুর হৈমন্তীর ইংরেজি কবিতার বইটা ঠিকই আছে; হৈমটা মরে গেছে।
টুনির সেই চঞ্চলতাও মরে গেছে, বেঁচে নেই।
ইব্রাহিম কাদ্রি, মৃত্যুঞ্জয়, অপু আর মন্তুদের কেউই পারেনি তাদের বাঁচাতে আর নিজেরাও বাঁচতে।
ট্রাজেডি থেকে আমিও পারি না নিজেকে উদ্ধার করতে। এখনও সেই চরিত্রগুলো ওলোটপালট করে দেয় সব।

Thursday, May 11, 2017

খেয়ালহীন

জগতহীন পথে চলাচল,
একা সে রাস্তায় নেই কেউ।
হারিয়ে গেছে সেই নাম
যে চেনা ছিলো সে-ও।
যাযাবরের জীবন শুরু তখনই,
বিদ্রুপের পাত্র সর্বদা যখনই।

ঘড়ির কাঁটার সহজ চলা
দেখতে লাগে ভালো,
সিক্ত চোখ সানগ্লাসে তার
ঢাকা চোখের কালো।
অন্তরণের বিপদ শিকল জড়ানো যে পা-য়,
অবাক করা যন্ত্রণারা মরতে না যে চায়!

ছুপিয়ে থাকা নিকষ কালো,
ছড়ানো না শান্তি।
তোমার তোলা গল্প ছিলো,
নিছক এক ভ্রান্তি।
আজও সবার আমি টুকু পায় না স্বস্তি,
কঠিন হিসাব করে আর হয় না দোস্তি।

ডুবে যাওয়া তরীটা আর,
জাগে না শতেক চেষ্টায়।
সমাধানের কঠিন পথে,
সত্যরা থাকে তেষ্টায়।
আজও ভাঙ্গে না রাতের দীর্ঘ,
তবু আশায় থাকি আসবে স্বর্গ।

ঘুমিয়ে থাকা জড়তাটুকু,
ভাঙ্গুক অনেক আগে।
বিমুখ থাকা চিন্তা সকল,
হৃদয় না কাটুক দাগে।
এখন আশায় বুক বেঁধে যাই,
যেখানে দুঃখরা কেউ নাই।
১১/৫/১৭ রাত ১২.২১

Sunday, May 7, 2017

বন্ধু তুই কই?

বন্ধু তোরে খুঁজি আজো
হারিয়ে গেলি কই?
আজ যে আমি খুব একা
সঙ্গীহীন রই।
তোর সাথে সেই বিকেল বেলা
খেলার মাঠে দেখা,
মাঝে মাঝে এক মনেতে
তোরই ছবি আঁকা।
আমি যখন বৃষ্টির দিনে
একলা আকাশ দেখি,
দরজায় তুই নাড়িস কড়া
আমি বলি সেকি।
নিজের তোয়ালে দিয়ে তোর
যত্নে মুছি মাথা,
তুই যে বলিস রাখ তো ছাই
শোননা আগে কথা।
কেরাম খেলায় হারতে যাবো
জিতিয়ে দিস আমায়,
রেড কভারে আমার খুশি
আছে কে যে থামায়।
আমার ভীষণ একলা দিনে
তোকেই খুঁজি রোজ,
কেন তুই হারিয়ে গেলি
নেসনা আর খোঁজ।
ইশকুলের সেই ফটক ছেড়ে
এলাম কলেজেতে,
নতুন বন্ধু খোঁজার তালেই
বছর গেলো কেটে।
শেষ বছরে অকারণেই
হলো ভীষণ ঝগড়া,
বন্ধুহারা কলেজ থেকেই
হলো বন্ধুর খরা।
কলেজ শেষে ভর্তিযুদ্ধে,
হলো নাতো ঠাঁই,
বিদ্যাপীঠের দ্বার বন্ধ হলো
পেলাম না রেহাই।
টাকার বলি পরলো যে হায়,
সহজ পিতার ঘাড়ে।
তবুও সে বন্ধু হয়ে
ফেরায়নি আমারে।
নতুন জীবনে নতুন করে
আবার বন্ধু খোঁজা,
ইসকুলেরই সেই সরল বন্ধু
পাওয়া কি এতই সোজা?
তার ছিলো না কোন চাওয়া
না ছিলো অভিযোগ,
আমার সকল কথার পিঠে
করতো না অনুযোগ।
পরীক্ষণের দিনগুলোতে
আমি যেন সবার ভাই,
বুকে জড়িয়ে কতো আবেগ!
তিন ঘন্টা পর কেউ নাই।
দরকারে যখন অস্থির আমি
কেউ এলোনা এগিয়ে,
তুই থাকলে ঠিকই আসতি
তোর অশ্রু পড়তো বেয়ে।
নুঁয়ে থাকা নিমের তলায়
তুই আছিস শুয়ে,
প্রতিবছরই আসি আমি
দেখতে তোকে অনুনয়ে।
মরে যাওয়া তুই আমার মাঝেতে
বাঁঁচবি সারা জীবন,
বন্ধুত্বের ঋণ চাই না শোধতে
শ্রদ্ধাবোধের স্মরণ।
৭/৫/১৭

Wednesday, May 3, 2017

ইতিবৃত্তি

কবি মরে কাঁটার বিষে, দেয় না আত্মাহুতি,
ধীরে ধীরে তার সব মরে যায়, নিঃশেষ হয় দ্রুতি।
ভাবনার স্রোতে একেক সময়, জোয়ার ভাটার টান,
চোখের সামনেই কত শেষ হলো, আহত খানখান।
থাকে না ভালো সময়গুলো, সহস্র অসমান,
যায় না শোধানো ভুল গুলো, নিশ্চলে সয় অপমান।
বিবাদী পারে না প্রমাণ মিলাতে, পারে না যুক্তি বুদ্ধি,
যা-ই বলে তাই মাথা পেতে নেয়া, একটু ভুলের শুদ্ধি।
আহত হৃদয় মুখোশ পড়ে, ভালো আছে সে খুব,
নিঁচু মাথা তাঁর অশ্রু মুছে, দেয় অন্যত্র ডুব।
নিরব হয়ে চলে যাবো যেদিন, থামবে কলমের কালি,
কন্ঠে আর বাজবে না গান, থাকবে যে ঘর খালি।
তাদের দাবীতে জীবন বাঁচাই, জীবন বাঁচাতে খুঁজি পথ,
আটকে আছি সত্য খুঁজতে, তাই বার বার থামে রথ।
আমার কি দোষ? মন তো মানে না, মানে না ক্লান্তিভক্তি,
কবে মিলবে এলোমেলো গল্প, পাবো সমাধান আর মুক্তি?
চিরজীবী হোক তাদের চলা, যারা পাছে টেনে ধরে আগে,
ক্ষমার্হ গুণে ধুয়ে দিয়ো ভাই, যদি হৃদয়ে কাটি দাগে।
ভয়ানক হবে সেই দিনগুলো, মরেও বেঁচে থাকবো,
না পারবো লিখতে কিছু, এক মনে হয়ত আঁকবো।
খোদা না চাহেন এমন দিন, না আসুক তকদীরে,
শীতল হাসিতে চক্ষু বুজবো, শত মানুষের ভীড়ে।

Saturday, April 29, 2017

অশেষবিধি


রক্তে আমার যুদ্ধের বিষ
উষ্ণ আমার নিঃশ্বাস।
উর্বর আমার দুই চক্ষু,
চাবুক ছটায় জর্জরিত বক্ষ
উত্তপ্ত আমার শাণিত দৃষ্টি,
শক্ত প্রতিরোধে রক্তের বৃষ্টি।
তবে আমি থামি; ধৈর্য্যের প্রতিফলে
আমি কাটাই আমার ক্ষিপ্রতা যত; কলাম লেখার বলে।
আমি দুর্বিনীত অশেষবিধি, বিপত্তিরই সুরে,
আমি সবার চোখের বিষাক্ত জাল; হটায় বহুদুরে।
আমি কতেক সময় অনেক বুঝি, কতেক সময় বলি
বলার জন্য শতেক বারই, একঘরতে চলি
তোষামোদের মধুর বাণী, আমায় দিয়ে হয় না।
বাজনা বাজাই আপনি ভালো, তেনার মত হয় না!!!
দিন শেষে মঠের ঘরে আমি ফিরে যাই,
রক্তের আগুন ধীর সুচিয়ে কলমে লাগাই।
২৯/৪২০১৭
(নজরুল স্মরণে আমার দ্বিতীয় কবিতা।ভালোবাসা আর শ্রদ্বা রইলো মহামানবের প্রতি)

Tuesday, April 25, 2017

কয়েদি

অনুসৃত অধমতায় বিব্রত নিজের সর্ব,
সমালোচিত আবহের শুরু হলো আরেক পর্ব।
বিনীত মনুষ্যত্ব মেনে নেয় না অপবাদ,
সেটুকু ঘৃণা করো তারে যেটুকু আছে খাদ।
ঘুচাতে দিও সময় তারে,
বাচঁতে দিও তারে পূর্ণ অভিসারে।
কারাগারে ছুড়ে দিয়ে দায়মুক্তির গল্প,
সুন্দ্রীলীয় দিন খোঁজা শুধুই জল্প।
স্বজাতিরা নিঁচু হয়, অপরাধ ছাড়া হায়!
বিচারক মাপে দোষ, যাবে ডানে নাকি বা'য়।
কলমের জোরে কত মানুষ বাঁচায়।
নির্দোষী পরে রোষে বাঁচিবার পথ খোঁজে,
যাবে কই? কোন পথে? খুঁজে ফেরে সহজে!
ক্লান্তির মুক্তি হয় না যেমন,
টিকে থাকার যুদ্ধে কয়েদিও তেমন।
অন্যায় থেকে দূরে থেকেও অপরাধী সেতো,
সমাজের ধিক্কারে কয়েদি ম্রিয়মাণ ততো।
বিচারহীন শিকের ফাঁকে, সুবিচারের খোঁজ,
আদালতের হেয়ারিং হবে, একই সুর রোজ।
হাতজোড় করে মাঙে মুক্তি,
জজের প্রতি মিথ্যে ভক্তি।
কমলাকান্তের গল্পেই চলে এখন সবকিছু,
কষ্ঠকাঠিন্য ছাড়ে না যেন সুবিচারের পিছু।
মিথ্যা সাক্ষী আর টাকা এক গাদা,
খুবই সোজা কারো প্রতি নতুন গল্প ফাঁদা।
ধর্মের শিক্ষায় সবারই আছে শেষ বিচারের তাড়া,
তবুও কেন সবার মাঝে ধর্মের দূত মরা?
২৫/৪/১৬ ইং

সুপ্রসন্ন তুমি দূরে

সুপ্রসন্ন তুমি দূরে,
অনুমতিহীন ভাবে যখন তুমি মিথ্যে বলো,
অপ্রকাশ্য তোমার কপটতার ঝুলি
অমিমাংষীত তোমার সহানুভুতি; তোমার বিচার,
তুমি ছিলে সংক্ষেপিত আলোর ঝিলিক মাত্র
এক মুহুর্তের জোনাক, বিমূর্ত করা এক শীতল বিজলী,
হঠাৎ হাসি-কান্নার সহচর; দেখোনি চেয়ে একবারও বর্তমানে,
আমি যে এক রাশ উচ্ছাস ছিলাম, এখন নির্জীব প্রতি পানে
তবুও এই আবহে যেন আমি বদলাই, যেন নতুন করে শিখতে পারি,
নতুন করে নিঃশ্বাস নিতে পারি; নতুন করে, আবারই নতুন করে।

নির্ঘুম রাতের পর্ব

অল্পতেই বিশ্বাসের উন্মাদনা আমার!
ক্ষণিকের প্রশান্তি; অতঃপর তাহার প্রস্থান,
নির্ঘুম রাতের পর্ব শুরু!
খানিকটা বিষঃন্ন, অদ্ভুত আমার আচরণ,
অন্ধকারের এক কোণে।
সাদা দুটো মার্বেল হাতে; বাহিরের আলো দেখার চেষ্টা!
চুলগুলোতে চোখ ঢেকে আছে, একপাশে সরাবার শক্তিও নেই।
এভাবেই প্রতিদিনের আলো দেখার চেষ্টা ব্যর্থ হয়; আমার!
প্রতিদিন......প্রতিমুহুর্তে......প্রতিক্ষণে্‌......!
অসম এক ক্রান্তিকাল.........!

Monday, April 24, 2017

"অ" এর গল্পঃ

অলীক স্বপ্নজালের অবাধ বিস্তার্য,
অসময়ের ভুল "তুমি" নিমিষেই পরিতাজ্য।
অমর হয়ে যায় তাঁর প্রথম আবেগ,
অসীমতটে বন্দী তাঁর পুরো বেগ।
অকূলে ভাসে আসামী যিনি,
অকাট্য অভিশাপে জর্জরিত তিনি
অমলকৃষ্ণ হয়েও সফেদ তার মন,
অভাগিনী কেন তোমার অদ্ভুত আস্ফালন?
অধীর ছিলে কতটুকু জানে না তো কেউ,
অশান্ত ছিলো জানি তোমার প্রেম ঢেউ!
অদখলে রাখি নিজের আত্মা সর্বস্ব,
অসম প্রেমেতে যেন না হয় নিঃস্ব।
অহেতুক আচরণ ছিলো না এথায়,
অতৃপ্ত তুমি এখনো চিৎকারে বৃথায়।
অবুঝ তুমি ভুগছো মন্থরতায়,
অসীম উত্তাল; হৃদয় ভাঙ্গার বাস্তবতায়।

১৮/০৫/১৭ইং

Friday, April 21, 2017

ওনার প্রস্থান

ঈশ্বর ভক্ত হুজুরের আত্মীয়টা অবশেষে আমার উপস্থিতি টের পাইয়া জায়নামাজ খানা গুটাইলেন। তির্যক চোখে চাহিয়া দৃষ্টি আকর্ষণের ব্যর্থ চেষ্টার পর আরাধনালয় ছাড়িয়া অন্যত্র চলিয়া গেলেন। নামিয়া যাওয়ার সময় আপনার মুখ দেখিয়া বুঝিলাম, যতগুলো "মিথ্যাত্মা"র জন্ম আপনি তৃতীয় ব্যক্তি হয়ে দিয়াছেন, তাহা শুধাইতে মাথা ঠেকাতে আসার পথে আমিই যেন আপনার মাথা আগে ভাঙ্গিয়া দিয়াছি। প্রভুপরায়ণও ক্ষমার্হ চোখে দেখেন কিনা, তা তিনিই ভালো জানেন।

Thursday, April 20, 2017

ইমেজ বাঁচানো

ভুল শোধরানোর জন্য মানুষ সুযোগ চায়। তবে কেউ যদি ভুলই না করে, মানুষ নিজের কল্পনা দ্বারা ভুল বোঝার চেষ্টা লিপ্ত থাকে, সন্দেহ করে বা শেষ পর্যায়ে অপমান করে বসে। সেইক্ষেত্রে তল্পিতল্পা গুটিয়ে চলে আসাকে নিজের "ইমেজ বাঁচানো" বলে। এই সরে আসার নীতি বাদীকে প্রথম পর্যায়ে কোন ঝামেলায় না ফেললে শেষ পর্যায়ে বাদীপক্ষ ঠিকই শুণ্যতাটুকু বুঝতে পারে। ক্ষুদ্রতর থেকে প্রাতিষ্ঠানিক বিশৃঙ্খলা মোকাবেলায় তাঁকে দেখা যায় না। শক্ত হাতে দমন করাটা যখন সবার কাছে ডিক্টেটরি ছিলো, এখন বিশৃঙ্খল উপরাজনীতি যেন শান্তিপূর্ণ আবহ!

Saturday, April 15, 2017

হাসপাতালে যখন

পাথরে মোড়া শক্ত শরীর
দুহাত যে নিথর,
চোখের কোণে জল নিমেষেই মুছে
অবাক অনাদর।
জীবন্ত শোক ক্যানভাসে ভাসে
রুদ্ধ ক্লান্তিকর।
হাজার আত্মা কেঁদে ভাসে
হাসপাতালের মর্গে
অনেকদিনের হিমে রাখা
যাবে সে কি স্বর্গে?
এত যন্ত্রণা কেন হেঁটে বেড়ায়
চারপাশের আমার,
ঘুমের মধ্যে কত মানুষের মুখ
দেখা দেয় বারবার!
সকালের সুন্দর দিনে
আমি খুব পরিপাটি,
খাবার টেবিলে আমার পাশে
বুড়োর প্লেট খালি!
শুকনো রুটি মুখে রেখে
লোক দেখানো সুখী সাজে,
আমার পাতের খাবার দিলে তাকে
অনেক খুশিতে কেঁদে হাসে।
অপারেশন থিয়েটারে মা-বাবা
থাকে আমার পাশে
বৃদ্ধজন একাই থাকে
ওয়ার্ডবয় ছাড়া কে আসে?
14/4/2017 7.19 pm

Thursday, April 13, 2017

জীবন

জীবন???
সে তো অনন্ত নদী,
সে যে দেয়ালহীন আকাশ,
কিংবা বিরামহীন বাতাস,
সে তো কিছু সুখ-দুঃখের সমষ্টির সম্মেলন,
কারো কাছে শুধু বেঁচে থাকা,
কারো আবার হাজারো দীর্ঘনিঃশ্বাসের মিছিল।
কারো কাছে ভয়কে জয় করা,
কারো আকাশচুম্বী হওয়ার তেষ্টা!
এটাই জীবন!

নতুনে ভুলি নাই

তুমি ফুরায়ে গিয়েছো কবে আমিতো চলে যাব; বলে, থেকে রয়েছি এতক্ষণ হারিয়ে যাবার গল্পে কে আগে? কে পরে? শুন্য আকাশ তলে আমি একজন, একা। তোমারি আশাতে ছ...